- ভার্সন: ০৪. মুরগী বা পাঠির ঠোট কাটার ইলেকট্রিক মেশিন।
- Brand Name: Poultry Mouth Cutting Equipment Chicken Debeaking
- Applicable Industries: Farms, poultry, Poultry farms, Hatcheries poulty
- Product name: Debeaker
- Application: Chicken Beak cutting
- Voltage: 220-240V 50Hz/60Hz
- Power: 180W
- Gross Weight: 5kg
- Body: Metal
- Cooler Fan: Yes Have 05 inch Cooler Fan.
- Size: 32cm x 18cm x 14 cm Approx
- After-sales Service Provided: Online support
- এটি একটি আপডেট মডেল ডিবেকার মেশিন। যাতে আরো উন্নত কয়েল ও কুলার ফ্যান ব্যবহার করা হয়েছে।
মুরগীর ফার্মে মুরগীর বাচ্চার ঠোঁট কাটার জন্য ডিবেকার মেশিন ব্যবহার করা হয়। মুরগির ঠোঁট বেশি লম্বা এবং সুঁচালো হলে এরা সহজে খেতে পারেনা ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য নষ্ট হয়। অনেক সময় এদের মধ্যে ঠোকরা ঠুকরির প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। তাই নির্দিষ্ট বয়সে প্রতিটি মুরগির ঠোঁটের কিছু অংশ কেটে ফেলা হয়। একেই ডিবিকিং বলে।
মুরগির ঠোঁট কাটা বা ডিবিকিং মেশিন দিয়ে ঠোঁট কাটার পদ্ধতিঃ
► উপরের ঠোঁট বাচ্চার নাকের ২ সেঃ মিঃ সম্মুখ হতে এবং উপরের ঠোঁট হতে নীচের ঠোঁট ০.২ সেঃ মিঃ বড় রাখতে হবে।
► উভয় ঠোঁট পৃথকভাবে কাটতে হবে।
► ঠোঁট কাটার সময় তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। মিনিটে ১৫ টির বেশী মুরগির ঠোঁট কাটা উচিৎ নয়।
► ইলেকট্রিক যন্ত্রের সাহায্যে ঠোঁট কাটলে যন্ত্রের সংস্পর্শে ২ সেকেন্ড ধরে রাখলে সঠিক ভাবে ঠোঁট কাটা হয়।
► উপরের ঠোঁটের সামনের দিকের অংশ যেটির রং কিছুটা সাদাটে এবং সুচালো হয় (ঠোঁটের ১/৩ ভাগ অংশ) সেটিই কেটে বাদ দেয়া হয়। এখানে কাটলে কোন রক্তপাত হয় না। নীচের ঠোঁটের একবার সামনের অংশও কেটে বাদ দেওয়া উচিৎ।
যারা ঠোটকাটে বা ডিবেকার ম্যান তারা অনেকে প্রায়ই মুরগীর ঠোঁট হয় বেশি কাটে না হয় কম কাটে।কম কাটলে ঠোট বড় হয়ে যায় এবং ঠোকরা ঠুকরি করে। আবার বেশি কাটলে মুরগি ১ মাস খাবার খুব কম খায় ফলে ওজন কমে যায় এবং প্রডাকশন ১ মাস পিছিয়ে যায়। স্টেস বেশি পড়ার কারণে বিভিন্ন রোগ ব্যধি বেশি হয় যেমন পক্স, মেরেক্স, রানিক্ষেত, মাইকোপ্লাজমা, এন্টারাইটিস। ঠোটকাটার পর স্টেস হরমোন রিলিজ হয় ফলে খাবার ও পানির রুচি কমে যায় এবং ২-৪ দিন খাবার বা পানি তেমন খায় না।
ঠোঁট কাটার পরবর্তী পরিচর্যাঃ-
► ঠোঁট কাটার ২ দিন পূর্ব থেকে পরবর্তী ৩ দিন পানির সাথে “ভিটামিন কে” সহ অন্যান্য ভিটামিন ব্যবহার করা।
► খাদ্যের সাথে অতিরিক্ত প্রোটিন বা আমিষ ব্যবহার করা।
► পানির পাত্রের গভীরতা বৃদ্ধি করা। ঘরে নিপল ড্রিংকার থাকলে এর পাশাপাশি ট্রাফ ড্রিংকার ব্যবহার করতে হবে।
► মাল্টিভিটামিন বা ডব্লিউ সি খাওয়ানো যেতে পারে। ঠোঁট কাটার পর ২/৩ দিন পর্যন্ত ভিটামিন দিয়ে যেতে হবে যাতে মোরগ-মুরগিগুলো পীড়ন বা স্ট্রেস থেকে রক্ষা পায়।
মেশিনের সাথে যা কিছু থাকবেঃ
* ডিবেকিং মেশিন * প্যাডেল * প্যাডেল সিকল